বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
বাসসের নেতৃত্বে কামাল উদ্দিন সবুজ: ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক পদে নিয়োগ পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি: নেপথ্যে খামেনির সম্মতি ও ট্রাম্পের ঘোষণা ট্রাম্পের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা: নেপথ্যে পাকিস্তান ও ১০ দফার প্রস্তাব আজ রাতেই একটি সভ্যতার মৃত্যু ঘটবে: ইরানকে ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি বনপাড়া পৌর শহরের কৃতি সন্তান মাহমুদুল হাসান মেয়র প্রার্থী দোহারে গৃহবধূ মলি হত্যা সাবেক স্বামী র্যাকবের হাতে গ্রেপ্তার আওয়ামী আমলের প্রভাব খাটানো ইউএনও আলমগীর এখন মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ের উপসচিব! বুধবার চট্টগ্রামে আসছে অকটেন ও ফার্নেস অয়েলের বড় চালান

শিক্ষক ও বিএনপি নেতা হারুন হত্যা: ৭২ ঘন্টা পর মামলা, গ্রেপ্তার ১

শিক্ষক ও বিএনপি নেতা হারুন হত্যা: ৭২ ঘন্টা পর মামলা, গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক:: দোহারের নয়াবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও শিক্ষক হারুনুর রশিদ (হারুন মাষ্টার) হত্যার ৭২ ঘন্টা পর দোহার থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। নিহতের ভাই আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে শনিবার সকালে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় বিএনপির স্থানীয় কোন্দলকে স্পষ্ট করে প্রতিপক্ষের নেতাদের আসামী করা হয়েছে।

এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে মো. ফারুক নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সে মামলার এজাহার নামীয় আসামী। সে ধোয়াইর এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে।

পুলিশ সূত্র ও মামলার বিবরণে জানা গেছে, দলীয় কোন্দলের কারণে ও স্থানীয় ব্যবসা বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামসুউদ্দিন মেম্বার ও ইউনিয়ন বিএনপির বর্তমান আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব নাসির উদ্দিনদের সাথে চরম বিরোধ চলে আসছিলো। সেই বিরোধের জের ধরেই ওই গ্রুপটি পরিকল্পিতভাবে হারুন মাষ্টারকে গুলি করার পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়। এরপর তারা লাশ ধোয়াইর জাবেদ আলীর মোড়ে পদ্মা নদীর পারে ফেলে রাখে। কিছু দিন পূর্বে সামসুউদ্দিন গ্রুপের সাথে হারুন মাষ্টারের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। সেই ঘটনার জের ধরেই তাঁকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ করেন বাদী।

মামলার এজাহারে সামসুউদ্দিন মেম্বারকে প্রধান আসামী করে ৭ জনকে এজাহার নামীয় এবং ১০/১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা দেখানো হয়েছে। এজাহার নামীয় আসামী ফারুক হোসেনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি দোহার থানার পরিদর্শক তদন্ত মো. নুরুন্নবী নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বাদী আব্দুল মান্নান বলেন, তাঁর ভাইকে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির দেয়া হোক। তিনি প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ বিষয়ে দোহার সার্কেলের জেষ্ঠ্য সহকারি পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমকে একাধিকবার তার মুঠোফোনে (হোয়াটসএ্যাপে) চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com